সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন

স্বাগতমঃ-
দৈনিক টেকেরহাট পত্রিকার ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম মাদারীপুর এবং পার্শ্ববর্তী জেলার সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।
সর্বশেষ সংবাদঃ-
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মাদারীপুর জেলা আওয়ামীলিগের বর্ধিত সভা সম্পন্ন । রাজৈরে কলেজ শিক্ষকের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে মানববন্ধন মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে শিবচরে আনন্দ র‌্যালী ও আলোচনা সভা মাদারীপুরে ট্রাকের চাপায় শিশু নিহত মাদারীপুরে আনন্দ র‌্যালী ও আলোচনা সভা মাদারীপুরে র‌্যাব ৮ এর অভিযানে বিপুল পরিমান মাদকসহ ওয়েলকাম পার্টির এক সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার বাংলাদেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান উপলক্ষে,রাজৈরে বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত (ভিডিও সহ) স্বল্পোন্নত দেশের স্ট্যাটাস হতে বাংলাদেশের উত্তরনের যোগ্যতা অর্জনের ঐতিহাসিক সাফ্যল্য নিয়ে জেলা প্রশাসনের সংবাদ সম্মেলন (ভিডিও সহ) শিবচরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড, ৪ টি ড্রেজার ধ্বংশ করেছে ভ্রাম্যমান আদালত
মাদারীপুরে প্রায় অর্ধশত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন ঝুঁকীপূর্ন

মাদারীপুরে প্রায় অর্ধশত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন ঝুঁকীপূর্ন

file

গোলাম মাওলা আকন্দঃ
মাদারীপুর জেলা সদর, রাজৈর,কালকিনি ও শিবচরের অর্ধ শতাধিক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনে ফাটল, ছাদের প্লাস্টার খসে পড়াসহ পিলারে ও দেয়ালে ফাটল দেখা দেওয়ায় পর কিছু কিছু ভবন ঝুঁকীপূর্ন ও পরিত্যক্ত ঘোষনার দীর্ঘ দিনেও নতুন কোন ভবন নির্মান না করায় পরিত্যাক্ত ভবনেই ঝুঁকী নিয়ে পাঠদান করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নীচে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। এসব বিদ্যালয় ভবনগুলো জরাজীর্ন হয়ে পড়া এবং পাঠদানের বিকল্প কোন ব্যবস্থা না থাকায় বৃস্টি বাদলে বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ করে ছুটি দিয়ে দিতে হচ্ছে ফলে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মক বিঘ্নিত হচ্ছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে,শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের অবহেলা ও গাফেলতির কারনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আমলে নির্মিত অতি পুরাতন কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন সংস্কার বা পুন:নির্মান করা হয়নি। অথচ মাত্র ১০/১২ বছর আগে নির্মিত বিদ্যালয় ভবন সংস্কার বা পুন:নির্মান করা হয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে একটি স্কুল ভবন এরি মধ্যে একাধিকবার সংস্কার বা পুন:নির্মানও করা হয়েছে। সরকারে তথা শিক্ষা বিভাগের এই বিমাতাসুলভ আচরন কাম্য নহে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিস্ট মহল। এছাড়া বিদ্যালয় ভবন জরাজীর্ন ও পরিত্যক্ত ঘোষনার পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও নতুন ভবন নির্মানের ব্যাপারে সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষ কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন না করায় শিক্ষার্থী ও অভিবাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃস্টি হয়েছে।

মাদারীপুর সদর উপজেলাঃ
প্রায় অর্ধশত বছর আগে নির্মিত সদর উপজেলার দুদখালি ইউনিয়নের এওজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি পুন:নির্মান বা নতুন ভবন তৈরি না হওয়ায় এটি এখন সংস্কারেরও অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ভবনটি ঝুঁকীপূর্ন হওয়ায় শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগ ২০১২ সালের জুন মাসে এটিকে পরিত্যাক্ত ঘোষনা করে।
মাদারীপুর সদর উপজেলার পশ্চিম কুচিয়ামোড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি ১৯৬৪ সালে নির্মিত। অর্ধশত বছর পুর্বে নির্মিত এই বিদ্যালয় ভবনটি পুনঃনির্মানে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকায় ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। বিদ্যালয় ভবনটি গত ২০১২ সালে কমিটি কর্তৃক পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হয়। সুষ্ঠ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনতিবিলম্বে বিদ্যালয় ভবনটি পুনঃনির্মানের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসি।
একই উপজেলার ৬৮ নং দক্ষিন বিরঙ্গল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি ১৯৬৫ সালে নির্মিত হয়। এই ভবনটিও ২০১৩ সালের মার্চ মাসে পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হয়। প্রত্যন্ত অঞ্চলের সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম গতিশীল করার জন্য জরাজীর্ন ও পরিত্যক্ত ঘোষিত এ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটিও জরুরীভাবে পুন: নির্মান করে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সংশ্লিস্ট সকলে।
অপরদিকে মাদারীপুর সদর উপজেলায় ৯০ এর দশকে নির্মিত চর গোবিন্দপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন (১৯৯৬), বাহাদুরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন (১৯৯০), উত্তর ব্রাম্মনদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন (১৯৯৬), চৌহদ্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৯৯০), উত্তর বড় বাড্ডা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন (১৯৯৪), বড় মেহের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন (১৯৯৬), উত্তর ঝিকর হাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন (১৯৯৬), কুন্তিপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন (১৯৯৫) মধ্য ঝাউদী মুন্সীকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন (১৯৯৩) । ১৯৯০ থেকে ১৯৯৬ সালে নির্মিত এসব সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাকা ভবন যথাযথভাবে নির্মিত না হওয়া এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার বা সংরক্ষনের অভাবে মাত্র ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে গেছে। মাদারীপুর সদর উপজেলা শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের গঠিত কমিটি ২০১৩ সালের বিভিন্ন সময়ে পরিদর্শন করে এসব বিদ্যালয় ভবন কনডেম ঘোষনা করেছেন। কনডেম ঘোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহে বিকল্প হিসাবে শিক্ষা কার্যক্রম অ্যাহত থাকলেও প্রকৃতপক্ষে এসব স্কুলে শিক্ষা কার্যক্রম অবশ্যই ব্যহত হচ্ছে। কাজেই অনতিবিলম্বে সংস্কার যোগ্য ভবনগুলো সংস্কার এবং সংস্কারের অযোগ্য ভবন সমুহ পুন:নির্মানের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিস্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি ও এলাকাবাসি।

রাজৈর উপজেলাঃ
রাজৈর উপজেলার ৬২ নং পাখুল্যা সিরাজকাঠী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৩৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বিদ্যালয় ভবনের তেমন কোন সংস্কার বা উন্নয়ন হয়নি। বিদ্যালয় ভবনটির ছাদের ও বীমের প্লাস্টার খসে কঙ্কালসার হয়ে গেছে। প্লাস্টার খসে পড়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরাও আহত হয়েছে। বৃস্টি শুরু হলে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পাশের কোন বাড়িতে আশ্রয় নিতে হয় অথবা বাড়ি চলে যেতে হয়। এ কারনে বর্ষাকালে অভিবাবকরা তাদের ছেলে-মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে চান না।

একই উপজেলার ৯৩ নং কড়াইবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৬৮ সালে নির্মান করার পর আর কোন সংস্কার না হওয়ায় বর্তমানে একতলা বিশিস্ট এই ভবনটির ছাদসহ বিভিন্ন স্থানের আস্তর খুলে পড়ায় জরাজীর্ন হয়ে পড়েছে। জরাজীর্ন এই ভবনেই বাধ্য হয়ে পাঠদান দিচ্ছে শিক্ষকরা নিচ্ছে শিক্ষার্থীরা।
একই উপজেলার ৬৭ নং কমলাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৯৫ সালে পুন:নির্মানের পর থেকে আর কোন সংস্কার না করায় বর্তমানে বিদ্যালয় ভবনটি বীম,ছাদসহ বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে। ২০১২ সালে কতৃপ্ক্ষ বিদ্যালয় ভবনটি ঝুঁকীপূর্ন চিহ্নিত করে পরিত্যক্ত ঘোষনা করে। তারপর থেকে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম চলছে পাশের পুরানো জড়াজীর্ন একটি টিনের ঘরে ও স্কুলের খোলা মাঠে। এসব কারনে অভিবাবকরা তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানোর আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।
রাজৈর উপজেলার ৯২ নং গোবিন্দপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠার পর ১৯৯৪ সালে একতলা ভবন নির্মান করা হয়। একতলা এই ভবন নির্মানের পর ১০ বছরের মধ্যেই ছাদের প্লাস্টার খসে পড়া শুরু করে। অবশেষে ২০১১ সালে বিদ্যালয় ভবনটি ঝুঁকীপূর্ন হয়ে পড়ায় ২০১২ সালে বিদ্যালয় ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষনা করা হয়। বিকল্প কোন ব্যবস্থা না থাকায় বিদ্যালয় সংলগ্ন কৃষ্ণ মন্দির ও গনেশ মন্দিরের বারান্দায় পাঠদান করা হচ্ছিলো। পরে শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগে ধর্না দিয়ে মেরামত বাবদ কিছু অর্থ ও স্থানীয়দের আর্থিক সহায়তায় একটি দোচালা টিনের ঘর তুলে তাতে পাঠদান অব্যাহত রাখা হয়েছে।
রাজৈর উপজেলার ৭৮ নং বড়খোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। ১৩৭ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে ৪ জন শিক্ষক একটি জরাজীর্ন ভবনে পাঠদান করে যাচ্ছেন। এ বছরের ২৫ মার্চ রাজৈর উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ বিদ্যালয় ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষনা করে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বর্তমানে সাময়িকভাবে জরাজীর্ন একটি টিনের ঘরে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছে।

একই উপজেলার ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ৭৫ নং গোলাবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালটিও বর্তমানে জরাজীর্ন অবস্থায় পৌছেছে। ছাদ ও বীমের পলেস্তারা খসে খসে কঙ্কালসার হয়ে পড়েছে এর অবকাঠামো। বৃস্টি হলে বাইরে পড়ার আগেই ঘরের মধ্যে পানি পড়ে এর। ঝুঁকীপূর্ন হয়ে পড়ায় প্রশাসনকে বার বর জানানোর পর গত ২৫ মার্চ এ বিদ্যালয় ভবনটিও পরিত্যক্ত ঘোষনা করা হয় ও পরিত্যাক্ত ভবনে পাঠদান না করার জন্য শিক্ষদেরও নির্দেশ দেওয়া হয়।

কালকিনি উপজেলাঃ
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ সুত্রে জানা গেছে,কালকিনি উপজেলার ৯০ এর দশকে নির্মিত ১১ টি সরকারী প্রাথমিক ব্দ্যিালয় ভবন ঝুঁকীপূর্ন হয়ে পড়ায় এ বছরের ১৪ সেপ্টম্বর উপজেলা কনডেম কমিটির সভায় ১১ টি বিদ্যালয় ভবনকে কনডেম বা পরিত্যক্ত ঘোষনা করা হয়। বিদ্যালয় ভবন গুলো হচ্ছে,১২০ নং ঢাকীকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৯৯৪ সালে তৈরী পাকা ভবন), একই সনে তৈরি ১৭১ নং মাইজপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পাকা ভবন, ১৭০ নং মিরাকান্দি (আলীনগর) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যলয় (১৯৯৬ সালে তৈরি পাকা ভবন) একই সালে তৈরি ১৮০ নং কানাইপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন, ২৩ নং কোলচরী সস্তাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ( ১৯৯২ সালে তৈরি পাকা ভবন ) একই সালে তৈরি ৪৮ নং শিকার মঙ্গল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পাকা ভবন, ১৯৯৫ সালে তৈরি ১৮৮ নং মোল্লা বাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যলয় পাকা ভবন, ১৯৯৪ সালে তৈরি ১৮৩ নং দক্ষিন ভাউতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৭৩ নং চর দৌলতখান সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়, ১৮৭ নং পূর্ব আন্ডারচর সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয় ও ১১৮ নং একতা সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয় কনডেম ঘোষিত এই তিনটি বিদ্যালয় ১৯৯৩ সালে তৈরি বলে জানা গেছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সুতে জানা গেছে, কালকিনি উপজেলা শহর সংলগ্ন ১৫৯ নং চর ঠেঙ্গামারা সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়টি বহু পুর্বে জরাজীর্ন হয়ে পড়ায় এটি পুন নির্মানের জন্য উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে অবহিত করা হয় এবং ভবন নির্মানের অনুমোদন পাওয়া গেছে। এরি মধ্যে ঠেঙ্গামারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি নির্মানের দরপত্র আহবান করা হয়েছে শিঘ্রই ভবন নির্মানের কাজ শুরু হবে। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো.সহিদুল ইসলাম আরো জানান,পরিত্যাক্ত ও জরাজীর্ন বিদ্যালয় ভবন গুলো পরিদর্শন করে কোন কোন ক্ষেত্রে পাকা ভবন আবার আপাতত বিকল্প টিনশেড নির্মান করে শিক্ষাথীদের পাঠদানের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে তিনি বেশ কয়েকটি ঝুঁকীপূর্ন ভবন পরিদর্শন করে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় টিনশেড ভবন নির্মানের ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্যসহ প্রধান শিক্ষককে। শিবচর উপজেলায় এ ধরনের ঝুঁকীপূর্ন কোন বিদ্যালয় ভবন নেই বলে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক