মাদারীপুরে ডাসারে কলেজ অধ্যাক্ষের বিরুদ্ধে এইচএসসি পরীক্ষার সময় নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ

অন্যান্য অপরাধ ডাসার

Madaripur pic 02.04 (2)

বেলাল রিজভী:মাদারীপুরে ডাসারে সরকারি শেখ হাসিনা একাডেমি এন্ড উইমেন্স কলেজের অধ্যাক্ষের বিরুদ্ধে এইচএসসি পরীক্ষার সময় নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। তার কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর সমাধান করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠলেও তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

সংশ্লিষ্ঠ একাধিক সূত্রে জানা গেছে, রবিবার অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় ডাসার সরকারি শেখ হাসিনা একাডেমি এন্ড উইমেন্স কলেজের পরীক্ষার কেন্দ্র ছিলো ডিকে আইডিয়াল আতাহার আলি কলেজ কেন্দ্রে। রবিবার পরীক্ষা চলাকালে ডাসার সরকারি শেখ হাসিনা একাডেমি এন্ড উইমেন্স কলেজের অধ্যাক্ষ জাকিয়া সুলতানা এবং একই কলেজের শিক্ষিকা মার্জিয়া আক্তার নিয়ম ভঙ্গ করে ডিকে আইডিয়াল আতাহার আলি কলেজ কেন্দ্রে প্রবেশ করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক ও অভিবাবকরা অভিযোগ করে বলেন, নিয়ম ভঙ্গ করে ডিকে আইডিয়াল আতাহার আলি কলেজে প্রবেশ করে জাকিয়া সুলতানা তার কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর সমাধান করে দেন।

এব্যাপারে ডিকে আইডিয়াল আতাহার আলি কলেজের অধ্যাক্ষ মমতাজ বেগম বলেন,‘ পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষা কেন্দ্রে যেসকল শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয় তাদের শিক্ষক-শিক্ষিকা বা অভিবাবকদের প্রবেশ করার নিয়ম নেই। কিন্তু জাকিয়া ম্যাডাম নাকি ইউএনও স্যারের অনুমতি নিয়ে আমাদের কলেজে প্রবেশ করেছিলেন। ইউএনও স্যার অনুমতি দিলে তো আমাদের করার কিছু নেই।’

শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর সমাধান করে দেয়ার ব্যাপারে ডাসার সরকারী শেখ হাসিনা একাডেমি এন্ড উইমেন্স কলেজের অধ্যাক্ষ জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘প্রশ্নের উত্তর সমাধান করে দেয়ার অভিযোগটি সত্য নয়। আমি ইউএনও স্যারের অনুমতি নিয়ে ওইখানে গিয়েছিলাম। দুই শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে একটু জটিলতা দেখা দিয়েছে তাই আমি ওই দুই শিক্ষার্থীর প্রবেশ পত্র নিয়ে আসতে গিয়েছিলাম। তার সাথে শিক্ষিকা মার্জিয়া আক্তারের প্রবেশের ব্যাপারে বলেন, আমি একা একা কোথাও যাই না। তাই ওকে (মার্জিয়া) সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলাম।’

এই অনিয়মের ব্যাপারে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) প্রমথ রঞ্জন ঘটক বলেন, ‘পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষা কেন্দ্রে যেসকল শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয় তাদের শিক্ষকদের প্রবেশের নিয়ম নেই। তবে প্রবেশ পত্রের জটিলতার কথা বলে অধ্যাক্ষ আমার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করেছিল। অন্য শিক্ষিকার প্রবেশ করার কথা নয়।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *